রংপুর, দিনাজপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম থেকে শুরু করে পুরো উত্তরাঞ্চলের হাজারো মানুষ প্রতিদিন Jale Taka-তে খেলছেন এবং জিতছেন। আপনিও এই পরিবারের অংশ হয়ে যান।
রংপুর বিভাগের মানুষদের মধ্যে অনলাইন গেমিংয়ের আগ্রহ গত কয়েক বছরে অনেক বেড়েছে। স্মার্টফোন আর সাশ্রয়ী ডেটা প্যাকেজের কল্যাণে মিঠাপুকুর, পীরগঞ্জ, বদরগঞ্জ থেকে শুরু করে রংপুর সিটির তরুণ-প্রবীণ অনেকেই এখন অনলাইনে সময় কাটাচ্ছেন। আর সেই সুযোগে Jale Taka হয়ে উঠেছে উত্তরাঞ্চলের সবচেয়ে পরিচিত নাম।
রংপুরের খেলোয়াড়দের একটা বড় সুবিধা হলো, Jale Taka-তে পুরো ইন্টারফেস বাংলায়। ঢাকা বা চট্টগ্রামের মতো বড় শহরে বসে যারা খেলেন, তারা যা সুবিধা পান — রংপুরে বসে মোবাইলে খেললেও ঠিক একই সুবিধা। বিকাশে টাকা ঢোকান, খেলুন, জিতলে আবার বিকাশে তুলুন — এতটাই সহজ।
Jale Taka-র তথ্য অনুযায়ী, রংপুর বিভাগের আটটি জেলা থেকেই নিয়মিত খেলোয়াড় রয়েছেন। রংপুর সদর থেকে সবচেয়ে বেশি, তারপরেই আছেন দিনাজপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রামের ব্যবহারকারীরা। ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, নীলফামারী এবং লালমনিরহাট থেকেও প্রতিদিন শত শত মানুষ লগইন করছেন।
উপজেলা পর্যায়ে দেখলে, তারাগঞ্জ, কাউনিয়া, গঙ্গাচড়া, পীরগাছা — এই এলাকাগুলো থেকেও নিয়মিত বিজয়ীরা আসছেন। একেবারে গ্রামের প্রান্ত থেকেও যারা ভালো স্মার্টফোন আর ইন্টারনেট সংযোগ পাচ্ছেন, তাদের অনেকেই Jale Taka-তে যোগ দিচ্ছেন।
রংপুরের খেলোয়াড়দের মধ্যে ক্রিকেট বেটিং সবচেয়ে জনপ্রিয়। বাংলাদেশ ম্যাচের দিন রংপুর থেকে সবচেয়ে বেশি বেট আসে। বিশেষত রংপুর রাইডার্সের BPL ম্যাচে স্থানীয় দলের প্রতি আবেগ থেকে বেটিং অনেক বেড়ে যায়।
এরপরে আছে ফিশিং গড এবং ফরচুন অক্স। এই দুটো গেমে রংপুরের অনেক খেলোয়াড় নিয়মিত বড় জয় পাচ্ছেন। রয়্যাল ফিশিং-ও বেশ জনপ্রিয়, বিশেষত বয়স্কদের মধ্যে। আর যারা ফুটবলপ্রেমী, তারা বুন্দেসলিগার ম্যাচগুলোতে বাজি ধরতে পছন্দ করেন।
Jale Taka-তে রংপুরের ব্যবহারকারীরা বিকাশ, নগদ এবং রকেটে অনায়াসে লেনদেন করতে পারেন। শহর থেকে দূরে থাকলেও কোনো সমস্যা নেই — মোবাইল ব্যাংকিং থাকলেই যথেষ্ট। সর্বনিম্ন ৳৫০ থেকে ডিপোজিট করা যায়, আর জয়ের টাকা সাধারণত ৫ মিনিটের মধ্যে মোবাইলে চলে আসে।
অনেক রংপুরের খেলোয়াড় জানিয়েছেন, অন্য প্ল্যাটফর্মে টাকা তুলতে দিন বা সপ্তাহ লেগে যেত। কিন্তু Jale Taka-তে এই সমস্যা নেই। রাত ৩টায়ও উইথড্রয়াল দিলে সেটা প্রক্রিয়া হয়ে যায়। এটাই রংপুরের মানুষের কাছে Jale Taka-কে আলাদা করে তুলেছে।
Jale Taka-র রংপুর ব্যবহারকারীদের একটা আলাদা টেলিগ্রাম গ্রুপ আছে, যেখানে প্রতিদিন সকালে টিপস শেয়ার হয়, ম্যাচ বিশ্লেষণ হয় এবং একে অপরকে অনুপ্রাণিত করা হয়। নতুন কেউ যোগ দিলে পুরনো খেলোয়াড়রা সাহায্য করেন। এই পরস্পর সাহায্যের সংস্কৃতিটাই উত্তরাঞ্চলের মানুষের স্বভাবজাত বৈশিষ্ট্য।
প্রতি মাসে Jale Taka রংপুরের শীর্ষ বিজয়ীদের বিশেষ পুরস্কার দেয়। মাসিক লিডারবোর্ডে রংপুর বিভাগ সবসময় শীর্ষ পাঁচে থাকে। এটা রংপুরের খেলোয়াড়দের জন্য একটা গর্বের বিষয়।
আপনি যদি রংপুর বা আশেপাশের কোনো জেলায় থাকেন এবং এখনো Jale Taka-তে যোগ দেননি, তাহলে আর দেরি না করাই ভালো। আপনার পরিচিতরা অনেকেই এখানে খেলছেন — হয়তো তারাই আপনার প্রথম পরামর্শদাতা হতে পারেন।
এই জেলাগুলো থেকে Jale Taka-তে সক্রিয় খেলোয়াড় রয়েছেন
এই গেমগুলোতে রংপুরের খেলোয়াড়রা সবচেয়ে বেশি সময় দেন ও জেতেন
Jale Taka-তে রংপুর বিভাগের সেরা পারফর্মার — এই মাসে
| র্যাংক | নাম | জেলা | সেরা গেম | মোট জয় |
|---|---|---|---|---|
| ১ | আব্দুর R. **** | রংপুর সদর | ফরচুন অক্স | ৳১,৮৫,০০০ |
| ২ | মোস্তাফা K. **** | দিনাজপুর | ক্রিকেট | ৳১,৩২,৫০০ |
| ৩ | নুরুন্নাহার S. **** | গাইবান্ধা | ফিশিং গড | ৳৯৮,০০০ |
| ৪ | জহিরুল I. **** | নীলফামারী | রয়্যাল ফিশিং | ৳৭৬,৪০০ |
| ৫ | রওশন A. **** | কুড়িগ্রাম | বুন্দেসলিগা | ৳৬৫,৮০০ |
| ৬ | তানিয়া B. **** | ঠাকুরগাঁও | ফরচুন অক্স | ৳৫৪,২০০ |
গোপনীয়তা রক্ষায় নামের শেষ অংশ লুকানো হয়েছে।
নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন Jale Taka-র রংপুরের সদস্যরা
মাত্র কয়েক মিনিটেই Jale Taka-র রংপুর পরিবারের অংশ হয়ে যান
ইন্টারফেস থেকে সাপোর্ট পর্যন্ত সবকিছু বাংলায়। ভাষার কোনো বাধা নেই।
দুর্বল নেটওয়ার্কেও গেম মসৃণ। রংপুরের প্রত্যন্ত এলাকাতেও কাজ করে।
২৪/৭ বাংলায় সহায়তা। যেকোনো সমস্যায় লাইভ চ্যাটে সাথে সাথে সমাধান।
এনক্রিপ্টেড পেমেন্ট গেটওয়ে। আপনার টাকা ও তথ্য সম্পূর্ণ সুরক্ষিত।
রংপুরের নতুন খেলোয়াড়রা সবচেয়ে বেশি যা জিজ্ঞেস করেন